Hot Posts

6/recent/ticker-posts

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১৭ সমন্বয়কের পদত্যাগ

আজ বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর ২০২৪) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১৩ সমন্বয়ক ও ৪ সহসমন্বয়ক সংবাদ সম্মেলন করে ওই পদত্যাগের ঘোষণা দেন


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১৭ জন সমন্বয়ক ও সহ-সমন্বয়ক একযোগে পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া হয়।
পদত্যাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে দুটি বিষয়। প্রথমত, কিছু সমন্বয়কের বিতর্কিত কার্যক্রম এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের প্রচেষ্টা। দ্বিতীয়ত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠনের মতো পরিচালনা করার অভিযোগ, যা গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটের পরিপন্থী।


পদত্যাগকারী সমন্বয়করা হলেন আব্দুর রশীদ জিতু, রুদ্র মুহাম্মদ সফিউল্লাহ, হাসিব জামান, জাহিদুল ইসলাম ইমন, জাহিদুল ইসলাম, ফাহমিদা ফাইজা, রোকাইয়া জান্নাত ঝলক, মিশু খাতুন, রাফিদ হাসান রাজন, হাসানুর রহমান সুমন, আব্দুল হাই স্বপন, নাসিম আল তারিক, ঐন্দ্রিলা মজুমদার এবং সহ-সমন্বয়ক জিয়া উদ্দিন আয়ান, তানজিম আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি ও সাইদুল ইসলাম। তাদের মধ্যে আব্দুর রশীদ জিতু কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ছিলেন।



সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রশীদ জিতু লিখিত বক্তব্যে বলেন, "বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদবিরোধী রূপ ধারণ করে। কিন্তু এই আন্দোলন দলীয় ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের মতো মূল দাবিগুলোতে নীরব ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে এটি একটি সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠনের মতো আচরণ করছে।"


তিনি আরও বলেন, "বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সারাদেশের আন্দোলনকারীদের একত্রিত করতে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ আন্দোলনকে বিলুপ্ত করা উচিত।"
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ সদস্য বিশিষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক কমিটি গঠন করা হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ