পাহাড়ে সহিংসতার জের ধরে চলা অবরোধে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাজেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ পর্যটক আটকা পড়েছিলেন।
দেশের অন্যতম পর্যটন স্পট
পার্বত্য জেলা রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে সার্বিক পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা
বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী
নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করেছে জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা
ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো.
সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার আইনশৃঙ্খলার
সার্বিক পরিস্থিতি এবং এসব এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে আগামী
৪ অক্টোবর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের
ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হল। এই বিষয়ে রাঙামাটির জেলা
প্রশসাক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান বলেন, যেহেতু
পর্যটকরা খাগড়াছড়ি হয়ে সাজেক ভ্রমণ করেন। সেজন্য এই মুহূর্তে খাগড়াছড়ির সার্বিক
পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।
সম্প্রতি পাহাড়ে সহিংসতার জের ধরে চলা অবরোধে ২০
সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় চার দিন সাজেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০
পর্যটক আটকা পড়েন। সে সময় পানি ও খাদ্যের সংকট সৃষ্টি হয় সাজেকে।পরে ২৪ সেপ্টেম্বর
সেনাবাহিনীর সহায়তায় পর্যটকরা খাগড়াছড়ি শহরে ফেরেন।
ওই দিন রাঙামাটিতে আইনশৃঙ্খলা সভায় জেলা প্রশাসক
মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান সাজেকে পর্যটক ভ্রমণে প্রথম দফায় তিন দিন পরে দুই দফায়
৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিরুৎসাহিত করার সময়সীমা বাড়ানো হয়। এবার তা অনির্দিষ্ট সময়ের
জন্য করা হল।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ও
তার পাশ্ববর্তী এলাকার আইন-শৃঙ্খলা সার্বিক পরিস্থিতি এবং এইসব এলাকায় পার্যটকদের
নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে আগামী ৪ অক্টোবর ২০২৪ইং তারিখ হতে পরবর্তী নিদের্শ
না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের ভ্রমনে নিরুৎসাহিত করা হলো।
এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর
থেকে সাজেক ভ্রমণে পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করছে প্রশাসন। পরে তা দুই দফায় বাড়িয়ে ৩
অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়। এ সময়ের মধ্যে সাজেকে কোনো পর্যটক ভ্রমণ করেননি।

0 মন্তব্যসমূহ