শুক্রবার পাকিস্তানের রাজধানী
ইসলামাবাদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সমর্থকদের মিছিল ঠেকাতে কঠোর
নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ মালবাহী কন্টেইনার দিয়ে প্রধান
সড়কগুলো বন্ধ করে দিয়েছে এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক ও গণপরিবহন পরিষেবা স্থগিত করেছে।
পাশাপাশি, একাধিক
স্কুলও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ইসলামাবাদে প্রবেশ ও প্রস্থান পথে
পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং সেখানে জনসমাবেশের ওপর সাময়িক
নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
রাওয়ালপিন্ডিতে, যেখানে
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পিটিআই
সরকারবিরোধী মিছিল চালিয়ে আসছে, এবং
আজকের বিক্ষোভ তার সর্বশেষ পর্ব। ৭১ বছর বয়সী ইমরান খান দাবি করেছেন, শাসক জোটের সংবিধান সংশোধনের কোনো
নৈতিক বা আইনি অধিকার নেই।
শুক্রবার, পিটিআই কর্মীরা বিক্ষোভস্থলে যাওয়ার
চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ঘেরাও করে রাখে, যার
মধ্যে নারী কর্মীরাও ছিলেন। অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নাকভি পিটিআই সমর্থকদের
হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, তারা
যেন ইসলামাবাদে মিছিল বা সভা আয়োজন না করে।
নাকভি বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “কেউ ধরা পড়লে তার প্রতি নমনীয়তা
দেখানো হবে না এবং পরে কেউ যেন অভিযোগ না করে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার ইব্রাহিম রাজধানীতে অবস্থান করছেন এবং ১৫-১৬
অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বৈঠকের প্রস্তুতি
চলছে। সেইসঙ্গে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং আসার কথা রয়েছে। নাকভি বলেন, এমন উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানের আগে
সরকার কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করবে না এবং ইমরান খানের দলকে অন্য কোনো দিনে মিছিল
করার আহ্বান জানিয়েছেন।


0 মন্তব্যসমূহ