Hot Posts

6/recent/ticker-posts

টিকটক নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার

 


টিকটক বর্তমানে একটি বহুল জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ব্যবহারকারীরা জানান, এটি অনেকটা নেশার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, টিকটক ব্যবহারের প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ। মাত্র এক মিনিটেই একটি ভিডিও তৈরি করা সম্ভব এবং আপলোডের পর খুব দ্রুত দর্শকদের কাছে পৌঁছানো যায় এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। ব্যবহারকারীরা বলেন, অল্প পরিশ্রমে সহজেই মানুষের প্রশংসা পাওয়া এক ধরনের আত্মতৃপ্তির জন্ম দেয়, যা অনেককেই টিকটকের প্রতি আকৃষ্ট করছে।


অনেক ব্যবহারকারী টিকটককে বিনোদনের একটি সহজ মাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, বর্তমান সময়ে চারপাশে অনেক নেতিবাচক ঘটনা ঘটছে, যেগুলো মানুষকে বিরক্ত ও ক্লান্ত করে তুলছে। এসব থেকে মুক্তি পেতে মানুষ সহজ বিনোদনের উপায় খুঁজছে, এবং টিকটক সেই সুযোগটি সহজে প্রদান করছে। টিকটকের ভিডিওগুলো ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মেও দেখা যায়। বাংলাদেশে মূলত হাসির ভিডিও তৈরির প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায়। টিকটকে জনপ্রিয় গান ও সিনেমার সংলাপ ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে, যা অন্য অনেক অ্যাপে নেই। এটিও টিকটকের জনপ্রিয়তার একটি কারণ হতে পারে।


অনেকে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে কোটি কোটি টাকা আয় করেছেন, একইভাবে টিকটকেও আয়ের সুযোগ রয়েছে। তবে এর জন্য অনেক ফলোয়ার থাকা প্রয়োজন। বিভিন্ন ব্র্যান্ড পণ্যের বিক্রি বাড়ানোর জন্য জনপ্রিয় টিকটকারদের অর্থ প্রদান করে। এমনকি নতুন পণ্য বাজারে আনার আগে বিজ্ঞাপনদাতারা টিকটকে জনপ্রিয় সেলিব্রিটিদের ব্যবহার করে পণ্য প্রচারণা চালান। নির্দিষ্ট সংখ্যক ফলোয়ার থাকলে ব্যবহারকারীরা টিকটকে লাইভ করতে পারেন এবং পণ্যের বাজারজাতকরণে তাদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। টিকটকে লাইভ চলাকালীন নিলামের নমুনাও রয়েছে। তবে বাংলাদেশে সেলিব্রিটিরা এভাবে ঠিক কতটা অর্থ উপার্জন করছেন, সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ