Hot Posts

6/recent/ticker-posts

যে কারণে নিষিদ্ধ হলো ছাত্রলীগ

 সরকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে নিষিদ্ধ করেছে। বুধবার রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।


প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক শাখা-২-এর সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের পেছনে প্রজ্ঞাপনে বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, "বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী বিভিন্ন সময়, বিশেষ করে গত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হত্যা, নির্যাতন, গণরুমে নিপীড়ন, ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ, যৌন নিপীড়নসহ নানা জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এই সব কর্মকাণ্ডের প্রামাণ্য তথ্য দেশের প্রধান গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং কিছু ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অপরাধ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে।"


এছাড়াও উল্লেখ করা হয়েছে, "১৫ জুলাই ২০২৪ তারিখ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ চালিয়ে শত শত নিরপরাধ শিক্ষার্থীকে হত্যা করেছে এবং অনেকের জীবন হুমকির মুখে ফেলেছে।"


প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, "৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও ছাত্রলীগ রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল এবং সরকারের কাছে এর প্রমাণ রয়েছে।"




"এই প্রেক্ষিতে সরকার 'সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯'-এর ধারা ১৮-এর উপধারা (১)-এর অধীনে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং ওই আইনের তফসিল-২-এ 'বাংলাদেশ ছাত্রলীগ'কে নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।" 


এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ