নিম্নচাপের প্রভাবে শুক্রবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যেই কার্তিক মাসের শুরুতে বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। আবহাওয়াবিদরা আশঙ্কা করছেন, এই লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।
বিশ্বের বিভিন্ন আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেলের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমবঙ্গ ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টির নাম রাখা হয়েছে ‘ডানা’, যা কাতার প্রস্তাবিত।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, সোমবার বা মঙ্গলবারের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপটি সৃষ্টি হতে পারে। এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে ২৪ থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে এই তথ্য নিশ্চিত করেনি বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেছেন, এখন পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য গতিপথ ওড়িশা বা পশ্চিমবঙ্গের দিকে হলেও, এটি গতিপথ পরিবর্তন করে বাংলাদেশেও আঘাত হানতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর ঘূর্ণিঝড়ের গতি-প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে সুনির্দিষ্ট পূর্বাভাস দেবে।
তিনি আরও বলেন, শনিবারও বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, তবে এরপর দুই-তিন দিন বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে লঘুচাপের প্রভাবে আবারও বৃষ্টি হতে পারে। সর্বশেষ ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ ২৬ মে বাংলাদেশ উপকূল ও পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হেনেছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, লঘুচাপের বিস্তৃত অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পৌঁছেছে। ২২ অক্টোবরের মধ্যে মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আজ খুলনা, বরিশাল, সিলেটসহ রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

0 মন্তব্যসমূহ